পৌর ছাত্রলীগের আবেগঘন স্ট্যাটাস!!!!

পৌর ছাসিটি কলেজ ছাত্রলীগ থেকে পৌর ছাত্রলীগ
অতঃপর পদ-পদবী বিহীন এখনো রাজপথে।

জয়বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
শ্লোগানে ক্লান্তিহীন পথচলা।

কলেজ_রাজনীতিঃ-
কক্সবাজার সিটি কলেজের সাবেক সভাপতি আমার ছাত্ররাজনীতির গুরু বড় ভাই জয়নাল আবেদীন ভাই আপনার হাত ধরে আমাদের ছাত্ররাজনীতিতে আগমনের যাত্রা শুরু করি, ২০১১ সাল থেকে
অনেক গুলা কেন্ডিডের মধ্য থেকে জয়নাল ভাই/ মুবিন ভাই মিলে আমাদের তিন জনকে সিটি কলেজ ক্যাম্পাস ছাত্রলীগ এর আমাকে সভাপতি/সাইদুলকে সাধারণ সম্পাদক এবং শাওন তাহের কে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচন করেছিলেন।

তাই আপনাদের কাছে আমরা চিরকৃতজ্ঞ হয়ে থাকবো। জানি না আপনাদের এই ঝণ আমরা কখনো শোধ করতে পারবো কি না।
জানি না কতটুকু করতে পেরেছি/ কতটা সফল
ভাবে দায়িত্ব পালন করতে পেরেছি।

যে ক্যাম্পাসে অনেক বছর যাবত জয় বাংলা
স্লোগান ধরার মত কেউ সাহস করতো না,

সে ক্যাম্পাসে আমার শত বাধা ও প্রতিকূলতার
মাঝে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ বুকে নিয়ে, প্রান প্রিয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের স্লোগানের মূখরিত পতাকার তলে আসার জন্য সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসহিত করেছি।
আমরা ছাত্ররাজনীতিতে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে
কলেজে আমাদের ইতিবাচক কাজের মাধ্যমে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি কার্যক্রম থেকে শুরু করে বিভিন্ন সহযোগিতা মাধ্যমে আমরা তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।
আর শিক্ষক থেকে শুরু করে বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ছাত্রলীগ সম্পর্কে যে ভুল ধারনা ছিলো, ভালো কর্যক্রমের মাধ্যমে ছাত্রলীগের প্রতি একটা ভালো ধারনা সৃষ্টি করেছি।
আমাদের সিটি কলেজে ছাত্রলীগের রাজনীতি করার সময় আমাদের কলেজে অনেকের মধ্যে যে স্যার গুলো সব সময় আমাদের সহস-অনুপ্রেরনা উৎস দিয়ে যেতো এবং সবসময় তাদের এই দেওয়া সার্পোট আমাদের কখনোই ভুলার নয়।
বিশেষ করে যে স্যার গুলো আমাদের প্রতিটি কাজে আশা ও উদ্দীপনা যোগাতো তাদের মধ্যে হচ্ছে, গোপাল স্যার,আবচার স্যার, হাসেম স্যার সহ আরো অনেক মেডামহ আমাদের যে ভালো কাজে সাহস ও উৎসাহ উদ্দেপনার মাধ্যমে সাহায্য করে থাকতেন।
আমরা ভালো ও ইতিবাচক কাজের মাধ্যমে তা দূর করতে আমরা সবাই আপ্রান চেষ্ট করেছি,ইনশাআল্লাহ পরে আমরা সফলতা ও অর্জন করেছিলাম।
কক্সবাজার_জেলাঃ–
ক্যাম্পাস রাজনীতির পাশাপাশি কক্সবাজার
জেলা ছাত্রলীগের যে সমস্ত প্রোগাম হতো খেয়ে না খেয়ে-রৌদ্রে পুড়ে ঘাম জড়িয়ে জেলার মিছিলে মিটিং উপস্থিত থাকার জন্য সব সময় চেষ্টা করেছি।
তখন কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন নূরুল আজিম কনক ভাই ও সাধারন সম্পাদক ছিলে এম.এ মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু ভাই,
তখন কক্সবাজার শহর ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন হেলাল উদ্দিন হেলাল ভাই ও সাধারন সম্পাদক ছিলেন
শ্রদ্ধেয় বড় ভাই কাইরুল হক জুয়েল ভাই।

তার পর কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের নতুন সম্মেলন চলে আসে। সম্মেলনে নতুন সভাপতি আলি আহমেদ ও সাধারন সম্পাদক আবু তাহের আজাদ ভাই,
কিন্তু একদিন আমাকে আর সাইদুলকে ডেকে কনক ভাইয়ের অফিসের দুই তলায় আমাদের কে তাহের ভাইয়ের হাতে তুলে দিয়ে বলে,এর খুবই এক্টিভ কর্মী এদের দেখে রাখবি।
আজ থেকে এদের দায়িত্ব তোর আর বলেন এই ছেলে দুইটা কে একটু দেখিস,তখন আমরা একটু ছোট ছিলাম রাজনীতি ম্যার প্যাচ তেমন বুঝতাম ও না,
ঐ খানে তৈলবাজ ও চাটুকারদের কারনে আমাদের কোন মূল্যায় বা গুরুত্ব না দেওয়াতে, একদিন আমার বন্ধু শাকিল এর মাধ্যম আলি ভাইয়ের হয়ে কাজ করার প্রোজাল আসলো, তার পর থেকে আলি ভাইয়ের জন্য বিভিন্ন কলেজ ও বিভিন্ন ইউনিট থেকে কর্মী সহকারে মিছিল নিয়ে আলি ভাইয়ের প্রোগামে অংশ গ্রহন করতাম।
দিনের পর দিনি মিছিলে মিটিং রাজপথে গরমে পুড়ে রক্ত ঝড়িয়ে প্রোগ্রাম শেষ করে,অক্লান্ত শরীর নিয়ে বাসায় ফেরতে হতো। কিন্তু যখন জেলা কমিটি পূর্ণঙ্গ করার সময় আসে তখন আমি হাসান তারেক পোষ্ট তো দূরের কথা সর্বোনিম্ম সদস্য পোষ্টে ও আমার জায়গা হলো না।

দিন শেষে এত ঘাম ঝড়ানো পরিশ্রমের ফলের পুরস্কার
ফেলাম শূন্য,,তখন একটু ছোট ও আবেগী ছিলাম। আমি প্রচুর আবেগয় ও মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছি,
তাই নিজেকে আর ধরে রাখতে পারি নাই।

সিনিয়র নেতাদের হিংসা ও বলির পাঠা হয়ে,
আমার দেওয়া ভায়োটার স্থান হলো কোন এক
ভিইপি ওয়াসরুমে কমেটের মধ্যে।
আমার এই ঘাম ঝড়ানো পরিশ্রমের কথা কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতা বড় ভাই ইসমাইল সাজ্জাদ, মঞ্জুর ভাই ,মোনাফ সিকদার ভাই,আব্দুল মান্নান ভাই, রিপন, বারেক,আর যারা আমাকে যারা চিনে তারা ভালো করে জানে।
আর আমার একটা অভ্যাস ছিলো, আমি কখনো
কোন দিন সিনিয়র নেতাদের ধাক্কা-ধাক্কি দিয়ে
কখনো মিছিলের সামনে আসতাম না।

তাছাড়া তখন আমার হাতে কোন এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিলো না, ছবি রাজনীতি করতে সেই থেকে পছন্দ করতাম না।

যদি তখন ফেসবুক থাকতো তাহলে হয়তো আমাদের রাজপথের বিভিন্ন কার্য়ক্রমে ছবি গুলা সবার সামনে তুলে ধরতে পারতাম।

কারন আমরা ক্যাম্পাস রাজনীতি করেছি।
আর এখনকার ছেলেদের মত ফেসবুকে ছবির পোষ্ট আর তৈল বাজি, পল্টিবাজি গলাবজি করি না।

এক বুক কষ্ট আর অভিমান নিয়ে যখন ছাত্ররাজনীতি থেকে আস্তে আস্তে বিদায় নেওয়া প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম।

ঠিক সেই সময় নিজের মনকে প্রশ্ন করলাম❓
চিন্তা করলাম প্রতিটি মানুষ তো
ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা গ্রহন করে,
আর আমার বিশ্বাস ছিলো আমি পারবো
আর আমাকে যে পারতেই হবে।

নিজে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিলাম,
আবার শূন্য থেকে তৃণমূলের ছাত্ররাজনীতি শুরু করো,

ইনশাআল্লাহ আমার বিজয় কেউ টেকাতে পারবে না।

হাসান তারেক
সাবেক ক্যাম্পাস সভাপতি
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কক্সবাজার সিটি কলেজ
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।

Please follow and like us:
error

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Facebook
Facebook
Instagram
LinkedIn
Follow by Email25