হারবাং এ চাপের মুখে গতি এসেছে ব্রীজ নির্মান কাজের

মোসলেহ উদ্দিন কবি-চকরিয়া প্রতিনিধি||

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং খালের ওপর ২টি সেতু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মেয়াদকাল অনেক আগে শেষ হলেও নির্মাণ কাজ চলছিল ঢিমেতালে।

এমতাবস্থায় স্থানীয় সচেতন মহল, আওয়ামীলীগ, যুব ও ছাত্র নেতাদের মানববন্ধন আর প্রতিবাদের মুখে কাজের গতি বাড়াতে বাধ্য হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্টান।ফলে আশার আলো দেখছে হারবাংবাসী।হারবাং খালের দু-পারের ৮টি গ্রামের মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে বাঁশের সাঁকো দিয়ে।

এতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের পাশাপাশি চাষিদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।  কক্সবাজারের চকরিয়ার হারবাং একটি    ঐতিহ্যবাহী  এ লাকা । এখানে   হিন্দু ও  মুসলমানদের  পাশাপাশি   রয়েছে   রাখাইন  সম্প্রদায় । সব মিলে অর্ধলক্ষাধিক   মানুষের বসবাস। রয়েছে স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, বিহার, হাসপাতাল, ব্যাংক, বীমাসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান।

বড় ২টি বাজারও রয়েছে। এ এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র সড়কের ২টি সেতু নড়বড়ে হয়ে যাওয়ায় গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সেতু ২টি ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। ১ কোটি ৯০ লাখ টাকায় এ ২টি সেতু নির্মাণের কাজ পায় আসলাম অ্যান্ড কোম্পানি নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ঠিকাদারের সঙ্গে কাজের চুক্তি হয় ৯ মার্চ ২০১৬।

কাজ শেষ করার সময় ছিল ওই বছরেরই ১৬ জুলাই; কিন্তু ঠিকদারি প্রতিষ্ঠান নানা কারণে কাজে বিলম্ব করে। তবে কয়েকবার নকশা পরিবর্তনের কারণে যথাসময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি ঠিকাদারের।

স্থানীয় ব্যবসায়ী বিশিষ্ট পান বিক্রেতা হেলাল  বলেন, ব্রীজ নির্মাণে দেরী হওয়ার কারনে পুরো বাজারের ব্যাবসা বাণিজ্য স্থবির হয়ে আছে,কাজের গতি বাড়াতে আনন্দ লাগছে।বিকল্প যাতায়াত এর জন্য এলাকাবাসী নিজেদের অর্থে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন।

তাও স্থানীয় প্রশাসন এর নজর দারির অভাবে খুবই নড়বড়ে।  হারবাং উচ্চ বিদ্যালয়,হামেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রীরা বলে,আমাদের প্রতিদিন বাঁশের সাঁকো পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়।  সাঁকোটি পারাপারের সময় অনেক ভয় লাগে। ঠিকাদার আসলাম চৌধুরী বলেন, বেশ কয়েকবার ডিজাইন পরিবর্তন করার কারণে কাজ যথাসময়ে শুরু করতে পারিনি।

কাজের সমস্ত মালামাল স্টক রয়েছে। কয়েক মাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারব বলে আশা করছি। এখন খুব দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। যদি বৃষ্টি না হয় আগামী মে মাসের মধ্যে সেতু ২টি চলাচল উপযোগী করে তোলা সম্ভব হবে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মিটিং করেছি। কাজ দ্রুত শেষ করার জন্যঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email