স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনিয়োগ করা জরুরি-প্রধানমন্ত্রী

ইফাদের দারিদ্র্য নির্মূলের মডেলকে জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থা থেকে আলাদা বলে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,‘মানবজাতির ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে এই মডেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনিয়োগ করা জরুরি। আমরা মনে করি বৈশ্বিক সহায়তা ছাড়া এটা অর্জন করা সম্ভব না।’

দারিদ্র্য নির্মূলে তিনি সহযোগী দেশগুলোকে আরও উদার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব এখন দারিদ্র্য নির্মূলে প্রস্তুত’।
দারিদ্র্য মোকাবিলায় গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এজন্য জাতিসংঘের কৃষিবিষয়ক বিশেষ সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট (ইফাদ)’কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ইতালিতে সংস্থাটি ৪১তম কাউন্সিলে দেওয়া এক ভাষণে এই আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। গ্রামীণ সামাজিক উন্নয়ন ও জলবায়ু মোকাবিলায় বিনিয়োগ করা জরুরি।
বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো পাশে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হওয়ার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি টেকসই গ্রামীণ উন্নয়নের ব্যাপারে সবসময়ই চেষ্টা করে গেছেন। আর বাংলাদেশে প্রায় এক দশক সময় ধরে স্থিতিশীল সরকার থাকাতে এক্ষেত্রে বিনিয়োগ পাওয়াটাও সহজ হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে চার বছর ধরে নতুন কৌশল তৈরির চেষ্টা করেছি। আর গত ৯ বছর ধরে সেটারই বাস্তবায়ন হচ্ছে। আমরা প্রয়োজন মাফিক পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে সবসময়ই সচেষ্ট ছিলাম।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email