শেখ মুজিবুর রহমান ৯৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান- বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা

বঙ্গবন্ধুর ৯৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান- বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা

যতদিন রবে পদ্মা-মেঘনা-যমুনা বহমান, ততদিন রবে কীর্তিমান শেখ মুজিবুর রহমান।

‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’-বৃহত্তর চট্টগ্রামের উদ্যোগে অদ্য সকাল ১১টায় এজি চার্চ স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুরজিত দত্ত সৈকতের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জ ড. এস.এম মনির উজ জামান বিপিএম, পিপিএম- বাংলাদেশ পুলিশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন রূপালী ব্যাংকের পরিচালক আবু সুফিয়ান, মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, আমুস মহানগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরফুদ্দিন চৌধুরী রাজু, সাংবাদিক কামাল উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা যুবলীগ নেতা মো: ওমর ফারুক, আমুস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম রাসেল, বঙ্গবন্ধু জাতীয় চারনেতা পরিষদের মহানগর সারধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক এমদাদ, আমুস মহানগর সংগঠক জয় রায়, স্কুলের প্রধান পরিচালক আলফ্রেড এ অধিকারী, দিবস চন্দ্র দাশ। আমুস দক্ষিণ জেলা সহ-সভাপতি মো: ইউসুফ, মো: মিজানুর রহমান, আমুস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি মঈনুল ইসলাম, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউসনের আহ্বায়ক প্রকৌশলী নাজমুল আলম, আমুস রেলওয়ে আহ্বায়ক ডিকু সিকদার, আমুস বিশ্ববিদ্যালয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আসিফ, মোহাম্মদ মাইনুর রহমান, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা নির্মাণ শ্রমিক লীগ এর সভাপতি মো: দুলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক টিংকু পালিত, নিপা দাশ, মো: ছগির, সিরাজ মিয়া, খন্দকার সুজাউল ইসলাম, মো: মাইনুল ইসলাম, আবু কাহার ছিদ্দিকী, আমুস মহানগর সংগঠক শেখ মুজিবুর রহমান, মো: রুবেল হোসেন প্রমুখ। আলোচ্য বিষয় ছিল কেক কাটা, আলোচনা, মিলাদ ও আনন্দ শোভাযাত্রা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন মহানগর দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম বাবলু।

সভাপতির বক্তব্যে বলেন, লাখ লাখ বছর ধরে হিমালয় থেকে নেমে আসা পদ্মা, মেঘনা ব্রহ্মপুত্রের স্রোতে থাকা পলি, বালি, কাঁকর, নুড়ি, কাদা সঞ্চিত হয়ে ঘটিত হয় বঙ্গীয় ব-দ্বীপ। হাজার হাজার বছর আগে উর্বর ব-দ্বীপে জনবসতি স্থাপন করে সভ্যতার সূত্রপাত ঘটায় মানুষ। উয়ারী বটেশ্বর, পাহাড়পুর, মহাস্থানগড়, ময়নামতি আজো সেই সাক্ষ্য বহন করে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে। এই অঞ্চলের মানব সভ্যতার ইতিহাস অনেক পুরনো হলেও সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার ইতিহাস পুরনো নয়। প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে সুলতানি শাসন, ইলিয়াসশাহী শাসন, হাবশী শাসন, হোসেনশাহী শাসন, আফগান শাসন, মোগল শাসন, ঔপনিবেশিক যুগ এবং সর্বশেষ পাকিস্তান শাসক গোষ্ঠী দ্বারা হাজার বছর ধরে এই অঞ্চলের মানুষ শাসিত আর শোষিতই হয়েছে। কোনো কালে স্বাধীনতার স্বাদ তারা পায়নি। বহু পঙ্কিল-কণ্টকাকীর্ণ পথ বেয়ে নানা শোষণ আর বঞ্ছনায় ধুকে ধুকে বাঙালির ভাগ্য যখন অনিশ্চয়তায় ঘুরপাক খাচ্ছিল তখন অবিচল হিমালয়ের মত দাঁড়িয়ে গমগমে গলায় বাঙালির স্বাধীনতার জন্য একজন আওয়াজ তোললেন। তিনি বললেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” সেই মহান মানুষটির সাহসী নেতৃত্বে হাজার বছরের পরাধীনতার শেকল ভেঙ্গে স্বাধীনতাপাগল বাঙালি যোগ দিল মুক্তির মিছিলে। অতঃপর বহু ত্যাগ আর তাজা প্রাণের বিনিময়ে আমাদের চিরমুক্তির ইতিহাস রচিত হল।

সেই মানুষটির জন্ম নাহলে একটি জাতি কখনো স্বাধীন হতনা। থাকত না বিশ্বমানচিত্রে সার্বভৌম বাংলাদেশের নাম। শুভ জন্মদিন বাঙালির রাখাল রাজা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

উন্মুক্ত অধীর আকাশ রোজ তাঁর হৃদয় চুমে যেত বলেই তাঁর হৃদয় ছিল আকাশের চেয়ে বিশাল। সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে অটেল হয়ে দাঁড়াত বলেই তিনি ছিলেন হিমালয়সম পাহাড়। যতকাল বাংলাদেশ রবে ততোকাল বিশ্বদরবারে সগৌরবে উচ্চারিত হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম। বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে যেন জাতির পিতার ছবি টাঙানো হয় এবং মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে পরিবার ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email