মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক প্রশাসন গড়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ কেন্দ্রীয় কমিটি।

বৃহস্পতিবার(১২ এপ্রিল) সংগঠনের সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে তারা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বিশেষ ব্যবস্থায় চাকরি দেয়ারও দাবি জানান ।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র হয়েছে। পরবর্তীতে ২০০১ সালের পর মুক্তিযোদ্ধা কোটা আবারও ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের পর ২৮ বছর কোটায় কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের চাকরি হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং পরবর্তী ২৮ বছর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। এছাড়া এই ৩০ শতাংশ কোটা তাদের আত্মমর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে জড়িত। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানের দিকে তাকিয়ে হলেও এই কোটা বহাল রাখা জরুরি। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা বিবৃতিতে আরও বলেন, একটি অসাম্প্রদায়িক জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন স্বাধীনতাবিরোধীমুক্ত করতেও সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই।

তারা আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য সরকারি কোটা থাকলেও এই কোটায় যোগ্যতার দোহাই দিয়ে তাদের মৌখিক পরীক্ষা থেকে বাদ দেয়া হয়। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান প্রিলিমিনারি, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তার আর কি যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে? মৌখিক পরীক্ষা কখনই যোগ্যতা যাচাইয়ের একমাত্র মানদণ্ড হতে পারে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email