মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এর দাবীতে প্রতিবাদ সভা

মোছলে উদ্দিন কবি চকরিয়া প্রতিনিধি:- চকরিয়ার হারবাং দরগার মসজিদের সভাপতি দাবীর বিরোধকে কেন্দ্র করে বয়োবৃদ্ধ খাদেম ও তার ৪ পুত্রকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে হারবাং ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘ অর্ধশত বছর ধরে তিনি মাজারের দ্বায়িত্ব পালন করে মাজার সংলগ্ন মসজিদটি নির্মান করে। গত একবছর ধরে চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম সভাপতি হলে ইমাম হিসাবে নুরুল ইসলামকে ইমাম হিসেবে নিয়োগ দেন।

খাদেমের দাবী, কোন এক অজ্ঞাত কারনে তার পিছনে নামাজ পড়তে অনিহা প্রকাশ করেন খাদেমের অনুসারী এলাকার মুসল্লিরা। এতে খাদেম হযরত
শাহ ছুফি (র:) মাজারের প্রধান
খাদেম মোহাং ফয়েজ আহমদ(৯৫) চেয়ারম্যান ও সভাপতি মিরানুল ইসলামের কাছে অভিযোগ করে নতুন ঈমাম নিয়োগের দাবী তুলেন।
কিন্তু আজ কাল করে দিনক্ষেপনের কারনে মুসল্লিরা অন্য মসজিদে চলে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে গতকাল ৫ মে শুক্রবার রাত ৮ টায় চেয়ারম্যানের বাড়ীতে এক বৈঠকের আয়োজন করেন।

চেয়ারম্যানের কথা মতো রাত ৮ টায় হযরত শাহ ছুফি (র:) মাজারের প্রধান খাদেম মোহাং ফয়েজ আহমদ, তার ৪ ছেলে মিরানের বাড়ীতে যান। ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে মৌলানা আবুল হাসেম (২৩) জানান, রাত সাড়ে ৮ টায় তার বয়োবৃদ্ধ পিতা হযরত শাহ ছুফি
(র:) মাজারের প্রধান খাদেম মোহাং ফয়েজ আহমদ (৯৫) এর সাথে কথায় বনিবনা না হওয়ার কারনে চেয়ারম্যান লাটি দিয়ে মারধর করতে থাকেন খাদেমকে।

তার চিৎকারে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে মৌ আবুল হাসেম, মোহাং সুলতান (৩৬), জাকারিয়া (২৮) ও সাজ্জাদ হোসেন সাকিব প্রতিবাদ করলে তাদেরকে ও সন্ত্রাসী কায়দায় মারধর করে। এতে মিরান চেয়ারম্যানকে ১ নম্বর এবং ইমাম নুরুল ইসলামকে ২ নম্বর আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email