মঙ্গলের গালে গহ্বর থেকে তোলা সেই ছবি

মঙ্গলে প্রাণের দাবি আরও জোরাল হল

পৃথিবীর প্রতিবেশী গ্রহ মঙ্গল কিউরিওসিটির শেষ নেই। মঙ্গলে প্রাণ ছিল বা আছে কিনা তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। মঙ্গল আমাদের বার বার চমকে দিয়েছে। যাকে এত দিন শুধুই এই সৌরমণ্ডলের একটা রুখু-সুখু পাথুরে গ্রহ বলে ভাবা হতো, সেখানে যে একসময় বইত পানির ধারা, ছিল নদী-নালা, গত বছর তার সরাসরি প্রমাণও মিলেছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে তা ঘোষণাও করেছে নাসা। আর তার পর ‘লাল গ্রহ’ আমাদের কৌতুহলকে আরও বেশি করে উসকে দিয়েছে।

সম্প্রতি নাসার মহাকাশযান কিউরিওসিটির মঙ্গল গ্রহ থেকে পাঠানো একটি ছবি দেখে সেই দাবি আরও জোরাল করে তুলেছেন ব্রিস্টলের বাসিন্দা, জো হোয়াইট নামে ৪৫ বছরের এক মহাকাশ চিত্র সাংবাদিক।

তার দাবি, মঙ্গলের গালে গহ্বর থেকে তোলা সেই ছবিতে অনেক পাথরখণ্ডের মধ্যেই রয়েছে এমন একটি পাথরখণ্ড যা আসলে দেখতে প্রাচীণ মিশরীয় নারী যোদ্ধার মূর্তির মুণ্ডের মতো।

জো আরও উল্লেখ করেছেন, প্রাচীন মিশরীয় নারী যোদ্ধারা যেরকম শিরস্ত্রাণ পরতেন, সেই পাথরখণ্ডেও অবিকল সেই ছাঁচ রয়েছে। এছাড়া মূর্তির কপালেও যোদ্ধার চিহ্ন আছে। তবে পৃথিবীতে দেখতে পাওয়া প্রাচীণ মিশরীয় মূর্তির থেকে অনেকটাই আকারে ছোট, দৈর্ঘ্য আর প্রস্থে মাত্র কয়েক ইঞ্চি সেই প্রস্তরখণ্ডটি।

জো আরও দাবি করেছেন, গত কয়েক বছরে মঙ্গল থেকে পাঠানো কিউরিওসিটির প্রায় ১৫০০০ ছবি আপলোড করেছে নাসা। তিনি সেগুলি খুঁটিয়ে দেখেছেন। গবেষকরা তা পরীক্ষা করলে বোঝা যাবে যে লাল গ্রহেও একসময় প্রাণ ছিল। তবে তা কতদিন আগে তা বলতে পারেননি জো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email