পার্ক থেকে মাঠ বৈশাখী বিনোদনে মাতোয়ারা তরুণরা

এম এ হোসাইন :

র্মব্যস্ত নাগরিক জীবনে উৎসব ছাড়া আনন্দও তেমন জমে না। তাই যে কোন উৎসবকে ঘিরেই আনন্দে মেতে উঠেন সবাই। এ ক্ষেত্রে সব সময় তরুণরা থাকেন এগিয়ে। বৈশাখের উৎসবকে ঘিরে গত দুইদিনে নগরীর প্রায় সবগুলো বিনোদন কেন্দ্র ছিলো উৎসব মুখর। উৎসবে দর্শনার্থীদের বরণ করে নিতে ভিন্ন সাজও ছিলো বিনোদনকেন্দ্রগুলোর। শুধু বিনোদন কেন্দ্র বা পার্ক নয়, নিরিবিলি জায়গাগুলোতেও ছিলো প্রাণোচ্ছল লোক সমাগম।

শনিবার পহেলা বৈশাখের দিন নগরীর ডিসি হিল ও সিআরবি কেন্দ্রীক জনসমাগম থাকলেও বিকালের দিকে নগরীর প্রায় সবগুলো বিনোদন স্পটে লোকসমাগম স্বাভাবিকের তুলনায় একটু বেশি চোখে পড়ে। রোববার সরকারি অফিস খোলা থাকলেও বন্ধ ছিলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে একটু চাপ পড়ার কথা। কিন্তু সকাল থেকে প্রছন্ড তাপ বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তবে বিকেলে থেকে নগরীর প্রায় সবগুলো বিনোদন স্পটে ভিড় পড়ে। এরমধ্যে নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, নেভাল, প্রজাপতি পার্ক, আগ্রাবাদ ও কাজির দেউড়ি শিশুপার্ক, ফয়‘স লেক ওয়াটার পার্ক, চিড়িয়াখানা, সিআরবি মোড়, রেলওয়ে জাদুঘর ও জাতীয় জাদুঘর, বাটালি হিল, ডিসি হিল, ভাটিয়ারী পাহাড় পার্ক, বিপ্লব উদ্যান, তৃতীয় কর্ণফুলী সেতু, ওয়ার সিমেট্টি ও স্বাধীনতা পার্কে ভিড় জমিয়েছে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ। দর্শনার্থীদের মধ্যে কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী ও প্রেমিক যুগলের সংখ্যা ছিল একটু বেশি। শান্ত প্রকৃতি ছেড়ে বিনোদন স্পটগুলো কোলাহলমুখর হয়ে পড়ে।

কাজির দেউড়ি শিশু পার্কে বেড়াতে আসা গৃহিনী শারমিন আক্তার বলেন, কোনো উপলক্ষ ছাড়া তেমন বের হওয়া যায় না। পহেলা বৈশাখের দিন প্রছন্ড ভিড় থাকে। যার কারণে বাচ্চাদের নিয়ে বের হওয়া যায় না। পরের দিন তাই, বাচ্চাদের নিয়ে শিশু পার্কে আসলাম। সবাই খুবই খুশি।

আন্দরকিল্লা এলাকার বাসিন্দা কায়সার মাহমুদ বলেন, উৎসবগুলোতে বাচ্চারা বায়না ধরে। তাদের অবশ্যই কোথাও বেড়েতে নিয়ে যেতে হবে। তাদের ইচ্ছে পূরণ করতেই পার্কে নিয়ে আসা। সবাই একসাথে ঘুরবো। আর রাতে একসাথে বাইরে ডিনার করে বাসায় ফিরবো।

আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশু পার্কের জেনারেল ম্যানেজার নাছির উদ্দিন আহমদ জানান, নিরিবিলি পরিবেশ হওয়াতে এমনিতেই আমাদের পার্কে লোকসমাগম একটু বেশি হয়। কোনো উৎসব হলো তো স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে। বৈশাখী উৎসবেও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে। তরুণ দর্শনার্থীদের সংখ্যা সবসময় বেশি থাকে। সন্ধ্যার দিকে একটু ভিড় হয়। তাপমাত্রা অনুকুলে থাকলে আরো বেশি দর্শনার্থী হতো।
#

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email