নগরীর বায়েজিদে দুতলযায় শোবার খাটে বিষধর সাপ; আতঙ্কে সারারাত

শোবার খাটে সাপ দেখে ভয়ে চিৎকার করতে শুরু করলো আমার ছেলে। পড়িমরি করে ছুটে আসি আমি। কুণ্ডলী পাকানো সাপটি দেখি। তারপর আড়াই ফুট লম্বা বিষধর সাপটি মেরে ফেলি। কিন্তু সাপ আতঙ্কে সারারাত সবাই একটি কক্ষে জেগে ছিলাম।’

নগরের বায়েজিদ থানার আতুরার ডিপো বাজারসংলগ্ন মীরপাড়ার বাসিন্দা কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য আবদুল মান্নান ফেরদৌস এভাবেই বললেন বৃহস্পতিবার (৩১ মে) ভোররাতের ঘটনাটি।

ওই এলাকায় দীর্ঘদিন বসবাস করলেও প্রথম সাপ দেখেছেন জানিয়ে আবদুল মান্নান ফেরদৌস বলেন, সেহেরির সময় আমার ছেলে মোবাশ্বির ফেরদৌস (৮) শোবার ঘরে লাইট জ্বালাতেই খাটের ওপর প্রথম সাপটি দেখতে পায়। সে অঙ্কুর স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। এতটুকুন ছেলে ভয় তো পাবেই।

তিনি বলেন, আমি খোঁজখবর নিয়ে একজন সাপুড়েকে ফোন করি। তিনি রাতে আসতে অপারগতা জানান। এরপর আমরা একটি কক্ষে সারা রাত জেগে ছিলাম। সকালে ‘স্বর্পরাজ’ এবি মনি ও নূরে আলম আসেন। তারা বাড়ি থেকে আরেকটি বিষধর কোবরা সাপ জীবিত ধরে ফেলেন। সাপুড়েদের দিতে হয়েছে ৭ হাজার টাকা।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাড়ির পাশে মসজিদ আছে। একটি বড় পুকুর আছে। পুকুর পাড়ে কিছু ঝোপঝাড়ও আছে। কিন্তু দোতলার শোবার খাটের ওপর একটি বিষধর সাপ এসে বসে থাকবে এটি কখনো কল্পনাতেও আসেনি।

সাপ আতঙ্ক কাটাতে কারবলিক অ্যাসিড বোতল ভরে রাখার এবং আশপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কারের উদ্যোগ নেবেন বলে জানান আবদুল মান্নান ফেরদৌস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email