চাকরিতে সময়সীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে রিকশা র‌্যালি

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবিতে ঠেলাগাড়ি ও রিকশা র‌্যালি বের করে চাকরিপ্রার্থীরা।

পূর্ব ঘোষিত এই কর্মসূচিটি সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর শাহবাগ থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে প্রেসক্লাব হয়ে পুনরায় শাহাবাগে গিয়ে শেষ হয়।

এ সময় তাদের হাতে থাকা প্লাকার্ডে লেখা ছিল, ”৩৫ এর আলো ঘরে ঘরে জ্বালো”; ”৩৫ যখন যুবনীতি, কীসে তবে এত ভীতি”; ”এক দাবি এক দেশ ৩৫ চায় সারা বাংলাদেশ”; ”চাকরি নয় সুযোগ চাই, ৩৫ ছাড়া গতি নাই”; ”৩০-এ বুড়া, ৩৫-এ যুবক”; ”বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই, চাকরি প্রবেশের বয়স ন্যূনতম ৩৫ বছর চাই”; ”ডু অর ডাই’ ৩৫ চাই” ও ”চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ চাই, নৌকায় ভোট দিতে চাই”।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, উন্নত বিশ্বে তাদের জনগণকে জনশক্তিতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে বয়সের কোনো সীমারেখা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। পার্শ্ববর্তী দেশসহ উন্নত দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা আমাদের দেশের তুলনায় অনেক বেশি। কোনো কোনো দেশে অবসরের আগের দিন পর্যন্ত চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৪০, বিভিন্ন প্রদেশে বয়সসীমা ৩৮ থেকে ৪০ বছর, শ্রীলংকায় ৪৫, ইন্দোনেশিয়ায় ৩৫, ইতালিতে ৩৫ বছর কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৩৮, ফ্রান্সে ৪০, ফিলিপাইন, তুরস্ক ও সুইডেনে যথাক্রমে সর্বনিম্ন ১৮, ১৮ ও ১৬ এবং সর্বোচ্চ অবসরের আগের দিন পর্যন্ত। আফ্রিকায় চাকরি প্রার্থীদের বয়স বাংলাদেশের সরকারি চাকরির মতো সীমাবদ্ধ নেই। অর্থাৎ চাকরি প্রার্থীদের বয়স ২১ হলে এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে যে কোনো বয়সে আবেদন করা যায়।

রাশিয়া, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্যে যোগ্যতা থাকলে অবসরের আগের দিনও যে কেউ সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল গভর্নমেন্ট ও স্টেট গভর্নমেন্ট উভয় ক্ষেত্রে চাকরিতে প্রবেশের বয়স কমপক্ষে ২০ বছর এবং সর্বোচ্চ ৫৯ বছর। কানাডার ফেডারেল পাবলিক সার্ভিসের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০ বছর হতে হবে, তবে ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে নয় এবং সিভিল সার্ভিসে সর্বনিম্ন ২০ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬০ বছর পর্যন্ত সরকারি চাকরির জন্য আবেদন করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email