কুমিল্লার সিভিল সার্জনসহ ৭ চিকিৎসক হাইকোর্টে

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নবজাতককে দ্বিখণ্ডিত করার ঘটনায় কুমিল্লার সিভিল সার্জনসহ সাত চিকিৎসককে হাইকোর্টে হাজির করা হয়েছে।

বুধবার(৪ এপ্রিল) বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে তাদের হাজির করা হয়।

হাজির হওয়া চিকিৎসকরা হলেন- কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সিজারিয়ান অপারেশনে নেতৃত্বদানকারী ডা. করুণা রানী কর্মকার, তার সহকর্মী ডা. জানিবুল হক, ডা. নাসরিন আক্তার পপি, ডা. আয়শা আক্তার ও ডা. দিলরুবা নাসরিন। এছাড়া অপর দুইজন হলেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. স্বপন কুমার অধিকারী ও কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল মজিদ।

২৫ মার্চ ‘ডাক্তার দুই খণ্ড করলেন নবজাতককে’শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে পত্রিকার প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী সেগুফতা তাবাসসুম আহমেদ। শুনানিতে তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান, ফারহানা ইসলাম খান ও আনিসুল ইসলাম।

এরপর হাইকোর্ট সাত চিকিৎসককে তলব করেন। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেন আদালত।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জুলেখা আক্তার নামে এক প্রসূতির স্বাভাবিক সন্তান প্রসবের সময় চিকিৎসকরা সন্তানের শরীর থেকে মাথা আলাদা করে ফেলেন। পরে সিজার করে বের করা হয় কাটা মাথা। কেটে ফেলা হয় ওই প্রসূতির জরায়ু।

উল্লেখ্য, জুলেখা আক্তার (৩০) মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের সফিক কাজীর স্ত্রী। গত ১৭ মার্চ প্রসব বেদনা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন ১৮ মার্চ তার সন্তান প্রসব হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email