কক্সবাজার সদরে ২১,৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং প্রাইভেটকারসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বর্তমানে আমাদের দেশের যুব সমাজের অধঃপতনের অন্যতম কারণ হচ্ছে মাদকাসক্তি। মাদকাসক্তির ভয়াল থাবা প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজকে ধ্বংস করে ফেলছে। দেশব্যাপী মাদকদ্রব্যের বিস্তাররোধ এবং দেশের যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র‌্যাবের মাদক বিরোধী অভিযান দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণ কর্তৃক বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব ৭ গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী কক্সবাজার থেকে একটি প্রাইভেটকার যোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ২০ জুন ২০১৮ ইং তারিখ ১৫৩০ ঘটিকার সময় র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার সদর থানাধীন উত্তর মহুরী পাড়াস্থ কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি করতে থাকে। এ সময় কক্সবাজার হতে ঢাকাগামী ০১টি প্রাইভেটকারের গতিবিধি সন্দেহজনক হলে র‌্যাব সদস্যরা প্রাইভেটকারটিকে থামানের সংকেত দিলে প্রাইভেটকারটি র‌্যাবের চেকপোষ্ট অতিক্রম করে রাস্তার পাশে থামিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামী ১। মোঃ মাসুম সর্দার (৩৫), পিতা-মৃত ছিদ্দিক সর্দার, গ্রাম-গাজীপুর সভা পাড়া, থানা-অভয়নগর, জেলা-যশোর, এ/পি- মামুনুর রশিদের ভাড়াটিয়া, মাহমুদ ট্রেনিং সেন্টার সংলগ্ন সফিপুর বাজার, থানা-কালিয়াকৈর, জেলা-গাজীপুর, ২। মোঃ বাছিদ রানা প্রকাশ বশির আহম্মেদ রানা (৩৮), পিতা- মোসলেম মন্ডল, গ্রাম- কামালপুর মন্ডলপাড়া, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা, এ/পি- উত্তরখান, হেলাল মার্কেট সেলিম সাহেবের বাড়ী, ঢাকা, ৩। মোঃ আজিজুল হাকিম (৩৯), পিতা- মৃত চান মিয়া, গ্রাম- দিয়াবাড়ী, উত্তরা ১৫ নং সেক্টর, থানা- তুরাগ, জেলা- ঢাকা, ৪। সুলতানা আক্তার রজনী (৩০), স্বামী- বাছিদ রানা প্রকাশ বশির আহম্মেদ, গ্রাম- কামালপুর মন্ডলপাড়া, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা, এ/পি- উত্তরখান, হেলাল মার্কেট সেলিম সাহেবের বাড়ী, ঢাকা এবং ৫। মোঃ সাহাব উদ্দিন (২৬), পিতা-দবির নিগামান, গ্রাম-পশ্চিম কালিখাপুর, থানা-মির্জাগঞ্জ, জেলা-পটুয়াখালী, এ/পি-৯ নং সেক্টর, রোড নং-৬, অরুন চেয়ারম্যানের বাড়ী, টেকের বাড়ী, থানা- উত্তরা পশ্চিম, জেলা- ঢাকা’দেরকে আটক করে।

পরবর্তীতে উপস্থিতি সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেখানো ও সনাক্ত মতে প্রাইভেটকারটি (ঢাকা- মেট্রো-গ-২২-৩৫৮০) তল্লাশী করে প্রাইভেটকারের ভিতরে সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় ২১,৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ উক্ত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ১০ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা এবং জব্দকৃত প্রাইভেটকারটির আনুমানিক মূল্য ১৬ লক্ষ টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email