নাজনীন সরওয়ার কাবেরী’র উপর কতিপয় নামধারী ছাত্রলীগ কর্তৃক লাঞ্চিত ও মিথ্যা অভিযোগ করায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’- বৃহত্তর চট্টগ্রাম

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার আদর্শের একজন কর্মীকে লাঞ্চিত করেন নামধারী ছাত্রলীগ। আমরা জানি ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন ‘ক’ এম.পি কলেজের জায়গার উপর রাস্তা করার জন্য।

এটা করতে না পেরে এ ধরণের জঘন্যতম কাজ করেন এবং কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের কাছে জিম্মি। নজির আছে কিছুদিন আগে ‘ক’ এম.পি তার শিক্ষককেও পিটিয়েছেন। কক্সবাজারের সুশীল সমাজের জনগণ তার অত্যাচারে দিশেহারা এবং তার কারণে রাস্তায় কোন সুন্দরী মেয়ে বের হতে পারে না ও অভিভাবকরা মেয়েদের পড়ালেখা না করার সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।

উল্লেখ্য যে, ‘ক’ এম.পির নেতৃত্বে মসজিদের জায়গা দখল করে সাইক্লোন সেন্টার, মানুষের বিভিন্ন জায়গা-জমি, দোকান-পাট দখল করে তার নেতৃত্বে থাকা বাহিনীরা। এইভাবে চলতে থাকলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ক্ষতি হতে পারে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি যে ‘ক’ এম.পির এর হাত থেকে কক্সবাজার বাসিন্দাদের রক্ষা করুন।

অতিসত্তর দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির বিধানে এনে যথাযথ শাস্তি দিয়ে ঐ নামধারী ছাত্রলীগ কমিটি বাতিল করে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হোক। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’-বৃহত্তর চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দ।

কিছু নামধারী ছাত্রলীগ কর্মী কলেজের জমি দখল করার হীন মানসিকতার বিরুদ্ধে বাঁধা দেওয়ায় লাঞ্চিত-কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা বলেন ঐ নামধারী ছাত্রলীগ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন। কোন এম.পি বা নেতার চামচামি করার বাহিনী হতে পারে না।

তিনি যখন কলেজের জায়গা যথাযথ রক্ষার সজাগ ছিলেন, তখনই ঐ নামধারী ছাত্রলীগ কর্মী মুজিব ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের কর্মী কক্সবাজার জেলার মাটি ও মানুষের নিবেদিত প্রাণ নাজনীন সরওয়ার কাবেরী আপার উপর বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। কিন্তু এই হুমকি-ধমকি দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের কর্মীকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।

ঐ নামধারী ছাত্রলীগ বলে, তিনি নাকি বিনা দাওয়াতে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। নাজনীন সরওয়ার কাবেরী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, অর্থাৎ উনি বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সৈনিক বিনা দাওয়াতেও উপস্থিত হতে পারবেন যে কোন রাষ্ট্রীয় আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানে।

কিন্তু আমরা খবর পেলাম এটা কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুষ্ঠান, কলেজ কর্তৃপক্ষ উনাকে দাওয়াত করেন ওই জন্য তিনি উপস্থিত হন। জনসাধারণের সাথে সহজেই হাঁসিমাখা মুখে মিশতে পারেন শ্রদ্ধেয় নাজনীন সরওয়ার কাবেরী।

তিনি একসময় চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রী ছিলেন। ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন “আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান”-কক্সবাজার জেলার আহ্বায়ক, বর্তমান কমিটির উপদেষ্টা। সবচেয়ে গুরুত্ব বহন করে তিনি কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

সব মিলিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী পরিবারের সন্তান। অথচ আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে নিজ জেলায় একজন কর্মীবান্ধব নারী নেত্রীকে তারই হাতে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী কর্তৃক লাঞ্চিত হতে হল! দূর্ভাগ্য : হারিয়ে যাচ্ছে শিষ্টাচার, সিনিয়রদের প্রতি সম্মান!! নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, সাথে সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করছি। আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার নেতৃবৃন্দ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email