আবারও চট্টগ্রামে হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গতকাল রোববার (২২ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন মারা যাওয়া নবজাতকটির স্বজনরা। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ক্ষমা চান।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা নবজাতকের মৃত্যুর কারণ বলে স্বজনরা অভিযোগ করেছেন।

জানা গেছে ২১ জুলাই চট্টগ্রামে জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতালে এই নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

গত ১৯ জুলাই বিকেলে তৈয়ব সিদ্দিকী তার স্ত্রী আফরোজা সুলতানাকে হাসপাতালের ৩৪২ নম্বর কেবিনে ভর্তি করান। পরদিন (শনিবার) বেলা ১২টার দিকে কন্যা শিশুর জন্ম দেন আফরোজা। কর্তব্যরত চিকিৎসক তৈয়ব সিদ্দিকীকে জানান, শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, তাকে অক্সিজেন দিতে হবে। তবে অন্য কোনো জটিলতা নেই। তৈয়ব সিদ্দিকীর বাড়ি বোয়ালখালী উপজেলার খরনদ্বীপের গ্রামে।

তৈয়ব নাগরিকনিউজবিডিডট কম কে বলেন, ব্যবস্থাপত্রে চিকিৎসক লিখেছিলেন- শিশুর অক্সিজেন চলবে।কিন্তু গতকাল (রোববার) সকালে অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেন শিশু ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্স সীমা দাশ। অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে সীমা দাশ বলেন – সমস্যা হবে না। এর ঘণ্টা খানেক পরে আমার সন্তান মারা যায়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আশরাফ উদ্দিন অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেওয়ার কারণে শিশুর মৃত্যু হয়েছে- এই অভিযোগ সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, মায়ের গর্ভে থাকতেই শিশুটির সমস্যা ছিল। এই ধরনের নবজাতক যেকোনো মুহূর্তে মারা যেতে পারে। অক্সিজেন চললেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। শিশুটির শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল তা জন্মের পরেই অভিভাবকদের জানানো হয়েছিল এবং স্পেশাল চাইল্ড কেয়ার ওয়ার্ডে রেখে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল। এসব ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা না গেলে কিছুই বলা যায় না।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেবেন বলেও জানিয়েছেন তৈয়ব সিদ্দিকী।

আমিরুল মুকিম // সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮// ৮ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error

নিউজ টি শেয়ার করুন :)

Instagram
LinkedIn
Share
Follow by Email